প্রেস বিজ্ঞপ্তি: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ২১ নভেম্বর শুক্রবার নাঙ্গলকোট সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় সাত গুণী প্রয়াত লেখককে মরণোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সাহিত্যচর্চা ও সমাজে তাঁদের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন সংগঠনের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন হাবিবী। সাধারণ সম্পাদক কবি মোহাম্মদ সোহরাব হোসেনের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল সাহিত্য ও স্মৃতিচারণের আবহ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শাহাদাত হোসাইন কাওসার। তিনি বলেন, প্রয়াত লেখকদের সাহিত্যসাধনা সমাজ ও নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন— সাপ্তাহিক সময়ের দর্পণ নির্বাহী সম্পাদক ও লাকসাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আল শারাহ, ফুলগাঁও ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ ইয়াছিন মজুমদার, একেএম রফিকুল হায়দার মজুমদার, মজিবুল হক হিরণ, ঝিকটিয়া ইছহাক মজুমদার আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান, মাস্টার শাহ আলম কালাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মো. আহছান উল্লাহ, নাঙ্গলকোট আফছারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রভাষক তোহা হাছান ভূইয়া স্বাধীন, নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম, প্রভাষক এম আর আখতার মুকুল, কবি এস এইচ রুবেল, সাংবাদিক একরামুল হক টিটু, নাঙ্গলকোট সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ময়ূরা হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কবি মো. তাজুল ইসলাম।
মরণোত্তর সংবর্ধিত সাত লেখক হলেন—
ভাষাসৈনিক মো. আবদুল জলিল, অধ্যক্ষ এ এস এম সায়েম মাহবুব মজুমদার, সাংবাদিক এএফএম শোয়ায়েব, সাংবাদিক শামছুল করিম দুলাল, কবি এস এম আবুল বাশার, সাংবাদিক কাউছার আলম মিয়াজী ও লেখক ইকবাল হোসেন বিএসসি।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান শেষে তাঁদের স্মরণে দোয়া পরিচালিত হয়।