1. live@dainikkholachokh.com : দৈনিক খোলা চোখ : দৈনিক খোলা চোখ
  2. info@www.dainikkholachokh.com : দৈনিক খোলা চোখ :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলনে মোবাইল কোর্টের অভিযান: ট্রাক্টর–বালু জব্দ, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বাহুবলে মিরপুর চৌমুহনী ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা নবীগঞ্জে সাংবাদিকের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর–লুটপাটে আহত ৩ নবীগঞ্জে একঝাক যুবকের জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান- ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করলেন এমপি পদপ্রার্থী শাহজাহান আলী বাহুবল হাসপাতাল এলাকায় ড্রেনেজ বিপর্যয়ে চরম জনদুর্ভোগ নাঙ্গলকোটে ৭ গুণী লেখককে মরণোত্তর সংবর্ধনা সিলেটে জাতীয় দৈনিক বর্তমান বাংলার বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাহুবলে সিলিকা বালু প্রতিরোধে রাতের অভিযানে ইউএনও–এসিল্যান্ড আমতলী চা বাগান কতৃপক্ষের মধ্যরাতে বালু খেকোদের বিরুদ্ধে  সাড়াশি অভিযান  হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের বিদায়: দায়িত্ব পালনে রেখে গেলেন মানবিকতা ও জনবান্ধব পুলিশিংয়ের দৃষ্টান্ত

বাহুবলে পিবিইউএস কো-অপারেটিভ লিমিটেডের প্রতারণামূলক কার্যক্রমে গ্রাহকদের নাভিশ্বাস

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।। হবিগঞ্জের বাহুবলে “পিবিইউএস কো-অপারেটিভ লিমিটেড” নামের এক কথিত এনজিওর কার্যক্রম ঘিরে রহস্যের দানা বাঁধছে। “পল্লী বন্ধু উন্নয়ন সংস্থা”র নাম ও কাগজপত্র ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছে এই অস্থিত্বহীন সংস্থা। ফলে গ্রাহকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে বাহুবল সদর ও মিরপুরে নামমাত্র একটি করে অফিস খুলে রহস্যজনকভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি। তবে সংস্থার প্রকৃত বৈধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্টরাও নিশ্চিত নন। স্থানীয়দের অভিযোগ—ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সঞ্চয়ের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা।

মিরপুর-মহাশয়বাজার সড়কের মামদনগর এলাকায় ভাড়া করা একটি রুমে অফিস চালালেও সেখানে নেই কোনো আসবাবপত্র, নেই নিয়মিত কার্যক্রম। শুধু একটি ঘরকেই ‘অফিস’ হিসেবে দেখিয়ে চলছে কথিত এনজিওটির কার্যক্রম।

এমনকি একাধিক গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রাহক আব্দুল মালেক বলেন, “ঋণ দেওয়ার কথা বলে দুই মাস ঘোরাতে ঘোরাতে শেষ পর্যন্ত কিছুই দেয়নি কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম।”
আরেক গ্রাহক ফরিদ মিয়া জানান, “দুই মাস ধরে আমার সঞ্চয়ের বইটিও আটকে রেখেছে সংস্থাটি। এখন তাদের অফিসেও কাউকে ঠিকমতো পাওয়া যায় না।”

এ বিষয়ে পিবিইউএস-এর মিরপুর আঞ্চলিক অফিসের ম্যানেজার পরিচয়দানকারী আবদাল হোসেন বলেন, “আমরা পল্লী বন্ধু উন্নয়ন সংস্থার কাগজপত্রের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনকে জানিয়ে কাজ করছি।” তবে তিনি পিবিইউএস নামে আলাদা কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, “পিবিইউএস বা পল্লী বন্ধু উন্নয়ন সংস্থা—এ দুটি সংস্থার বিষয়ে আমি অবগত নই। গ্রাহকদের উচিত যাচাই-বাছাই করে আর্থিক লেনদেন করা।”

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সংস্থাটির কার্যক্রম দ্রুত তদন্ত করে দেখার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, নইলে আরও অনেক গ্রাহক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট