1. live@dainikkholachokh.com : দৈনিক খোলা চোখ : দৈনিক খোলা চোখ
  2. info@www.dainikkholachokh.com : দৈনিক খোলা চোখ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আহম্মদাবাদে নির্ভয়ে চলছে বালু ও বালুর গাড়িতে মাদক পাচার  বাহুবলে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি, বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা ভোলায় গরিব ও অসহায়দের পাশে মানবতার ফেরিওয়ালা অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বিল্লাল মিয়াকে ❝আহম্মদাবাদের মহৎ প্রাণ❞ সম্মাননা ১০ জানুয়ারি নববর্ষের প্রথম দিনেই “বেস্ট পারফরমার ২০২৫” পুরস্কারে ভূষিত ডা. মোঃ আলমগীর হোসেন ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তিতে কৃতিত্ব অর্জন আয়ান ও অজিলের আলিফ সোবহান চৌধুরী সরকারি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ নিয়ে উত্তেজনা, অধ্যক্ষের আলোচনায় প্রফেসর সাদিকুর রহমান সাংবাদিক নিরাপত্তাহীনতা ও প্রশাসনিক চাপ: চরম সংকটে মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাব আজ কবি খাজিনা খাজির জন্মদিন খুরশেদা হেকিম শিক্ষা ট্রাস্টের বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল গ্রেড অর্জন করলো বাহুবলের মেধাবী শিক্ষার্থী মিহাদ

দলীয় পদ ব্যবহার করে সাতছড়ি বন থেকে শুরু হয় কালামের লুটপাট 

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

চুনারুঘাট প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ফ্যাস্টিস আওয়ামী লীগের অনেক হেভিওয়েট নেতা যখন পালিয়ে গেছেন, তখনও দলের দপ্তর সম্পাদক পদ আঁকড়ে ধরে আছেন আবুল কালাম আজাদ। তিনি এখনও নির্ভয়ে চুনারুঘাট থানার সামনেই অফিস খুলে বসে আছেন।

একটি সূত্রে জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবুল কালাম আজাদ সাবেক পর্যটন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মাহবুব আলীর আদরের দপ্তর সম্পাদক হয়ে দ্রুত প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। এর সুযোগে প্রথমে স্ত্রীর জন্য একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দেন, পরে থানার মার্কেটের একটি ঘর অবৈধভাবে দখল নেন।

তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে, দীর্ঘ এক যুগ ধরে দলীয় পদ ব্যবহার করে তিনি সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতির পদ আঁকড়ে রেখেছেন। ওই পদকে কাজে লাগিয়ে বনভূমি থেকে শুরু হয় তার লুটপাট। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দলের আরও কিছু নেতা-কর্মীকে নিয়ে গড়ে তোলেন একটি গাছ পাচার সিন্ডিকেট, যার ফলে উদ্যানে উজাড় হয়ে যায় বহু মূল্যবান গাছ। শুধু তাই নয়, পরে তার নজর পড়ে উদ্যানসংলগ্ন সিলিকা বালুর ওপর। এতে ধ্বংস হয় সাতটি পাহাড়ি চূড়া।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আওয়ামী লীগ কর্মী জানান, “আবুল কালাম আজাদের এই অপকর্মে সরাসরি মদদ দিতেন সাবেক মন্ত্রী মাহবুব আলী ও তার পিএস বেলাল মিয়া। কালামের কোটি কোটি টাকার বানিজ্যের একটি অংশ নিয়মিত যেত মিন্টু রোডের মন্ত্রীর বাসভবনে। আর বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামি আন্দোলনসহ যারা সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া ও পরিকল্পনা করা হতো কালামের থানা রোডে ব্যক্তিগত অফিসে বসে।”

অন্যদিকে, ইসলামী দলের সাথে যুক্ত চুনারুঘাটের এক বিশিষ্ট আলেম বলেন, “আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে গত ১৫ বছর ধরে আমাদের সমাজের আলেমদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছে। কোনো শান্তিপূর্ণ আয়োজন থাকলেই সে জামায়াতের তকমা দিয়ে পুলিশকে লেলিয়ে দিত। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এখনও সে দাপটের সাথে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে—এখন তাকে মদদ দিচ্ছেন কে?”

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কালাম নিজ উদ্যোগে সেখানে একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেছিলেন। স্থানীয় আদিবাসীদের প্রতিবাদের মুখে কাজ বেশ কিছুটা এগোলেও শেষ পর্যন্ত তা বন্ধ হয়ে যায়।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, “সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সহ-সভাপতি ও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে আবুল কালাম আজাদ নানা অনিয়মে জড়িত ছিলেন। মার্কেট নির্মাণের সময় আমরা বাধা দিয়েছিলাম। সেই কারণেই কাজ অসমাপ্ত রয়ে যায়।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট